হতাশ করার মতো ছবি নির্মাণ করিনি -শাহ আলম মন্ডল

একজন নির্মাতা তখনি স্বার্থকতা খুঁজে পান যখন তার নির্মিত সিনেমা দর্শকমুখে আলোড়ন সৃষ্টি হয় ও প্রসংশিত হয়।আর এদেরই মধ্যেই একজন নির্মাতা অপেক্ষায় আছেন দর্শকদের বিচারের।বলছি নির্মাতা শাহ আলম মন্ডলের কথা।

আজ ৪০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে শাহ আলম মন্ডল পরিচালিত এবং বাপ্পি চৌধুরী, মিলন ও নবাগত এমিয়া এমি অভিনীত ছবি ‘ডনগিরি’।‘ডনগিরি’ র মধ্যে দিয়ে অনেকদিন পরে বাপ্পিকে পর্দায় দেখবে দর্শক।

ত্রিভুজ প্রেম এবং ক্ষমতার লড়াই ও ক্রাইম বিস্তার করার কেন্দ্রসহ একটি প্যাকেজ যেন এই ‘ডনগিরি’ ছবিটির মূলমন্ত্র।

ছবিটির প্রসঙ্গে মেধাবী এবং চৌকস নির্মাতা শাহআলম মন্ডল বলেন -ছবিটির গল্পেই একটি নায়ক এখানে শুধু চরিত্রগুলো আলাদা আলাদা গল্পের জন্য।অনেক দিনের সাধনার গল্প এটি আমার এবং সম্পূর্ণ মূলক গল্পের ছবির আঙ্গিকে পর্দায় উপস্থাপন হচ্ছে।আমি আসলে দর্শকদের জন্য ছবি বানাই এবং সমসাময়িক চিন্তা ভাবনা রেখেই গল্পের চিত্রনাট্য করি।আমার বিশ্বাস ছবিটি হলে দেখলে দর্শক হতাশ হবেনা এবং হতাশ করার মতো ছবি নির্মাণ করিনি।

শাহ আলম মন্ডল আরো বলেন -আমি বরাবর চেষ্টা করি ভালো কিছু করার জন্য।এ-ছবিটি মুক্তি পেত আরো একটু আগে ,আসলে সিনেমা নির্মাণ করতে গেলে নানান ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় একজন নির্মাতাকে।সবকিছু প্রতিকূলে রেখে আমি এগিয়েছি সবসময় আমার মতন করে ,মাঝে মাঝে মাঝ পথ দিয়ে হারিয়ে গেছে অনেকেই।তারপরও থামিনি চলতে আছি এখনো।’ডনগিরি’ একটি পয়সা উসুল করার মতো ছবি ,আমি সবাইকে আহব্বান করবো ছবিটি দেখার জন্য। ভালো খারাপ সব বিচারের অপেক্ষায় থাকলাম দর্শকদের।

সিনেমাটি চিএনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন প্রয়াত যোশেফ শতাব্দী। সিনেমার গানগুলোতে কন্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন, কুমার বিশ্বজিৎ, কনক চাপা, পড়শি, লেমিস ও ইমরান।

বাপ্পি,মিলন ও এমিয়া এমি ছাড়াও ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন হাসান ইমাম, শর্মিলী আহমেদ, সাদেক বাচ্চু, লায়লা হাসান, আলীরাজ, মিজু আহমেদ, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান, অরুণা বিশ্বাস, শিবা সানু, ডিজে সোহেল, প্রমুখ।

যে ৪০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘ডনগিরি’

ঢাকার মধুমিতা,এশিয়া,চিত্রামহল,বিজিবি,আনন্দ,গীত, মুক্তি, পুরবী, পদ্মা, জোনাকি, রানিমহল, সৈনিক ক্লাব, চাঁদমহল-কাচপুর, নিউ গুলশান-জিঞ্জিরা, চম্পাকলি-টঙ্গী, বর্ষা- জয়দেবপুর,পুনম-রায়েরবাগ, নবীন-মানিকগঞ্জ, শ্রীপুরের চন্দ্রিমা, শান্তি নগরের পূর্বাশা, নারায়নগঞ্জের নিউ মেট্টো ও কালীগঞ্জের ছন্দা।

ঢাকার বাইরে বরিশালের অভিসার, চট্টগ্রামের আলমাস ও সিনেপ্লেক্স সিনেমা, পাঁচদোনা জংকার, দিনাজপুরের মর্ডান, মুক্তারপুরের পান্না সিনেমা, চালার নিউ রজনীগন্ধা, নেত্রকোনার হিরামন, সিলেটের নন্দীতা, বিজিবি, জশোহরের মনিহার, পাবনার রুপকথা, রংপুরের শাপলা সিনেমা, কিশোরগঞ্জের মানসী, বীরগঞ্জের উল্লাসী, পিরোজপুরের অনামিকা, নীলফামারীর মমতাজমহল এবং ইশ্বরদীর রাজু সিনেমা।