সাংস্কৃতিই পারে দেশ এগিয়ে নিতে : আজম খান

টিভি নাট্যকার আজম খান একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি একাধারে টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, ৭ম জাতীয় কংগ্রেস আওয়ামী যুবলীগের উৎযাপন কমিটির সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্য এবং সাজসজ্জা কমিটির সঙ্গে নিরলস কাজ করেছেন।

১৯৮৮-১৯৯৩ পর্যন্ত তিনি ফেনী কলেজের ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। কর্ম জীবনে তিনি দৈনিক জনকণ্ঠে টানা এগার বছর প্রশাসনিক বিভাগে কাজ করেছেন। চাকরী ছেড়ে দিয়ে তিনি ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। বর্তমানে তিনি হাতিরঝিল, ইস্কাটন, দিলুরোড, বাংলামটর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক। এতো ব্যস্ততার মাঝেও গত বই মেলায় তার ‘একজন বিল্পবী ও লাবণ্য লতা’ নামে প্রকাশিত উপন্যাসটি আলোচিত হয়। নব্বইয়ের ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি নিয়ে রচিত এই বইটি যুব সমাজের কাছে সমাদৃত হয়। একই বিষয় নিয়ে লেখা ‘হায়না’ আসছে এবারের বই মেলায়।

বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কাজে ব্যস্ত রাজনীতি সচেতন নাট্যকার আজম খান বলেন, ‘বর্তমানে রাজনৈতির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছি। কারণ, সাংস্কৃতির অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনীতির সুফল ঘরে ঘরে পৌছানো আমার ইচ্ছে। ধর্মান্ধতার অন্ধকার থেকে মানুষকে আলোয় নিয়ে এসে যুব সমাজ সাংস্কৃতিক আবহে বিচরন করুক, আমি এটাই চাই। কারন, দেশের যুব সমাজ এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংস্কৃতির সাথে আমাদের ঐতিহ্য লুকিয়ে আছে। আমারা যতদিন আমাদের হারানো ঐতিহ্যকে খুজে না পাবো ততদিন আমরা পেছনে পড়ে থাকবো। আমাদের সংস্কৃতির সাথে রাজনীতি, সমাজনীতি জড়িয়ে আছে।’

শত ব্যস্ততার মাঝেও তার লেখা দীর্ঘ ধারাবাহিক ‘দেনা-পাওনা’ নিয়ে খুব শিগগিরই হাজির হবেন আজম খান। ছোটপর্দার ব্যস্ত নির্মাতা কায়সার আহমেদ পরিচালিত ‘দেনা-পাওনা’ প্রচারিত হবে একটি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে। এছাড়া আজম খানের বেশ কিছু একক নাটক এমাসেই সম্প্রচারে আসবে বলে নাট্যকার সূত্রে জানা গেছে।