শিল্পীদের পাশে থাকবো-মারুফ আকিব

মারুফ আকিব ১৯৯৩ সালে এফডিসিতে নতুন মুখের সন্ধানে উঠে এসেছিলেন এ-নায়ক।মনোয়ার হোসেন খোকন পরিচালিত ‘জ্যোতি’ সিনেমার মধ্যে দিয়ে মূলত বড় পর্দায় জায়গা করে নেন মারুফ আকিব।ত্রিভুজ প্রেমের এই গল্পের আরেক নায়ক ছিলেন অমিত হাসান।ছবিটি তখনকার সময়ে সুপারহিট হয়।এরপরে মারুফকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি , প্রায় চল্লিশটির মতোন সিনেমায় তিনি কেন্দ্রীয় নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি মারুফ আকিব বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন বহুকাল ধরেই।মাঝে মাঝে খবর -পত্রিকায় ভেসে আসতো তার শিরোনাম।

সম্প্রতি এই নায়ক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।তিনি এই প্রথমবার নির্বাচন করেছেন,মিশা-জায়েদ আর প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী পদে লড়বেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মারুফ আকিব বলেন -আমি সিনেমার মানুষ তাই সিনেমার মানুষদের নিয়ে কিছু করতে চাই ও বলতে চাই।শিল্পীদের স্বার্থরক্ষায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখবো এবং সিনেমা শিল্পে যেসব সমস্যা গুলো রয়েছে তা -সবাই মিলে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করবো ও তার জন্য যা দরকার তাই তাই করবো।

মারুফ আকিব আরো বলেন ,বর্তমানে সিনেমার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়।এই সিনেমার উন্নয়ন এর জন্য দরকার কিছু শক্ত হাতের ও জোড়ালো কণ্ঠস্বরের যারা কিনা কথা বলার সাহস রাখে।এমন লোকই দরকার সিনেমায়।পূর্বে জায়েদ-মিশা কি উন্নয়ন করেছেন শিল্পীদের জন্য ও সিনেমার জন্য তা অবশ্য সবারই জানা।আমি মনে করি জায়েদ-মিশা আবারো আসলে যেটুকু কাজ হয়নি সেটা হবে এবং উন্নয়নের লক্ষে তারা কাজ করবে।

উল্লেখ্য,মারুফ আকিবের – চিরশত্রু , আব্বাস দারোয়ান , ভালোবাসার লাল গোলাপ , পিতামাতার আমানত , জ্যোতি , ঘর-দুয়ার , জান আমার জান , বাপ্ বেটির যুদ্ধ , মুক্তির সংগ্রাম , সৎ মানুষ , কিং খান , দুষ্ট ছেলে মিষ্টি মেয়ে , রূপ নগরের রাজকন্যা , কে অপরাধী , গরিব এর মন অনেক বড়, অজানা শত্রু , দুই নাগিন , অন্যতম সেরা এবং জনপ্রিয় ছবি ।

মারুফ আকিবের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘প্রতিচ্ছবি ‘ থেকে চার থেকে পাঁচটি নাটক অবমুক্ত করা হয় তখন।জনপ্রিয় সিরিয়াল বাংলা ভিশনে গুলশান এভিনিউ এবং লাল নীল বেগুনি তে অভিনয় করে প্রচুর প্রশংসা এবং ভালোবাসা অর্জন করেছেন দর্শকদের কাছ থেকে