প্রশংসায় ভাসছেন সীমান্ত সজল

সীমান্ত সজল ছোট পর্দার একজন ব্যস্ত নির্মাতা।সীমান্ত সজল পরিচালিত প্রথম নাটক ছিল অনেক আগে এনটিভিতে প্রচার হয়েছিল ‘মৃত্তিকা ও মারিয়ার গল্প’।

নাটকটি দর্শক মহলে খুব আলোচনা সৃষ্টি করে এবং প্রশংসা কুড়ায়। বাংলা নাটকের ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষ চরিত্র ছাড়া শুধুমাত্র ২ টি নারী চরিত্রের আশ্রয়ে বিশেষ নাটক।এই নাটকটির পরে সীমান্ত সজলকে আর পিছনে ফিরতে হয়নি, এখন একের পর এক ভালো মানের নাটক তিনি নির্মাণ করে যাচ্ছেন ।

তবে বেশ কিছুদিন যাবত রয়েছেন সীমান্ত সজল আলোচনায় । পর পর দুটো প্রচারিত নাটকে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছেন তিনি । একটি হচ্ছে ঈদের নাটক রুম্মান রাশিদ খানের গল্প ‘ওয়াটার’ এবং আরেকটি হচ্ছে ,কাজী নজরুল ইসলামের বাদল বরিষণে গল্পের ছায়া অবলম্বনে বিশেষ নাটক ‘কালো হরিণ চোখ’ এটির চিত্রনাট্য করেছেন বিষ্ণু ঈয়াস। এছাড়াও তানজিন তিশা -অপূর্ব অভিনীত ‘শুভ জন্মদিন ‘ নাটকটিও ছিল খবরের শিরোনামে ।

সীমান্ত সজলের সাথে এ-বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান ,একেকজন নির্মাতা একএক রকম হয়। নির্মাতাদের রুচিবোধ ও ব্যক্তিত্ত্বের উপর নির্ভর করে থাকে তার কাজের ধরন। আমি গতানুগতিক হাজারো কাজ করতে পারি না। আমি আমার মতন। অল্প কাজ করি। কিন্তু সেটা আমি আমার মতনই করে থাকি।

তিনি আরো বলেন,আমি হাস্য রসাত্মক ভাড়ামী নাটক তৈরি করিনি, জীবনেও তৈরি করবো না। আমি জীবন ঘনিষ্ঠ গল্প নিয়ে সৃজনশীল কাজ করে থাকি। তবে সাহিত্য নির্ভর কাজগুলো আমাকে টানে বেশি। তাছাড়া বিশেষ দিবসের বিশেষ নাটকগুলো নির্মাণে আমার ঝোঁক বেশি। বিশেষ দিবসের কাজের স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে ভীষণ পড়াশোনা করতে হয় অনেক আগে থেকে। এটা আমার মজ্জাজাত স্বভাব হয়ে গেছে এখন। আমি কারও মতন হতে চাই না। আমি আমার মতন হতে চাই। আমি একজন সীমান্ত সজল হতে চাই