পিইউবিতে চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈশাখ আমন্ত্রনের বর্ণাঢ্য আয়োজন !

(অরণ্য শোয়েব )-প্রকৃতির নিয়মে বাংলার ঋতুচক্রের পালাবদলে আসে গ্রীস্ম উষ্ণতা নিয়ে। প্রখর তাপে আকাশ তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠে। মানব মনও তৃষিত হয় প্রকৃতিকে বরণ করতে, স্মরণ করতে। এরই মাঝে চৈত্রের আগমনী।

বাংলা বছরের সমাপনীমাস চৈত্র। চৈত্রের শেষ দিনটিকে চৈত্র-সংক্রান্তি বলা হয়। আমাদের লোকাচার অনুযায়ী এদিনে বিদায় উৎসব পালন করা হয়ে থাকে, যা বাঙালি জীবনে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। চৈত্র-সংক্রান্তির দিনের সুর্যাস্তের মধ্যে দিয়ে কালের গর্ভে চিরতরে হারিয়ে যাবে একটি বঙ্গাব্দ।বাংলাদেশের মানুষ সহ অবস্থানে বসবাস করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে তাই বিভিন্ন ধর্মীয় ও সমাজবদ্ধ আচার অনুষ্ঠান একইসাথে পালন করে থাকে।

এ-উৎসব ছড়িয়েছে দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি )র আঙিনায়ও | গতকাল ছিল চৈত্র মাসের শেষদিন ও পহেলা বৈশাখের শুরু এর এই দিন কে কেন্দ্র করে নানা আয়োজন করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি |

দিনের শুরুতে (পিইউবি )র ক্যাম্পাসে ঢুকতেই চোখে পড়লো ছোট ছোট বিভিন্ন স্টলগুলো | সেসব স্টলগুলোতে ছিল পিঠার দোকান , ফুলের দোকান , বৈশাখী কাপড়ের দোকান , গেইম কর্নার ও নানা রকমের খাবারের রকমারি আয়োজন দোকানগুলোতে | একে একে আসতে থাকে দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি )র সকল বিভাগের প্রধান ,প্রভাষক ,ছাত্র-ছাত্রী এবং স্টাফরা |

তাদের মাঝে চলে আসেন তারাও দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি )র বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা , বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য সচিব প্রফেসর ড: শামীমা নাসরিন সাহেদ , উপাচার্য প্রফেসর ড: এ.কে.এম সালাউদ্দিন সহ অনেকেই | তাদের সকলেই ফুল দিয়ে বরন করে নেয় সবাই |

এরপরে শুরু হয় আলোচনাসভা এবং বিরতির পরে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক | বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নেমে আসে তখন বিশেষ অতিথি ও প্রধান অতিথির শিক্ষামূলক বক্তব্যর মধ্যে দিয়ে শেষ হয় দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (পিইউবি )র চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখকে আমন্ত্রণ অনুষ্ঠান |