ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে শোকাহত অভিনেতা নজরুল রাজ

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ‌শেখ মো. আব্দুল্লাহ আর নেই। শ‌নিবার (১৩ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে শোকাহত শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ ও অভিনেতা নজরুল রাজ।গোপালগঞ্জে নজরুল রাজ ছাত্র রাজনীতি করার সময় এই নেতার সংস্পর্শে থাকার সুযোগ হয়েছে। এছাড়া তারা সর্ম্পকে আত্মীয় হন। নজরুল রাজ তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান নজরুল রাজ।

শেখ মো. আব্দুল্লাহ রাত ১১টার দিকে রাজধানীর সরকা‌রি বাসায় হঠাৎ হার্টের সমস‌্যায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।রাত ১২টার দিকে ধর্মমন্ত্রণালয়ের জনসং‌যোগ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন জানান, তি‌নি হার্টের সমস্যায় মারা গেছেন। এর বেশি কিছু বলতে পারেননি তিনি।

শেখ মো. আব্দুল্লাহ ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতী নদীর তীরবর্তী কেকানিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব শেখ মো. মতিউর রহমান এবং মাতা মরহুমা আলহাজ্ব মোসাম্মৎ রাবেয়া খাতুন। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ মো. আব্দুল্লাহ বর্তমান সরকারের ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে তার প্রতিনিধি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে গোপালগঞ্জের প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব পান।

এর আগে আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ দীর্ঘ দিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সম্মানিত গভর্নর হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসা বোর্ডসমূহের শিক্ষা সনদের যে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করা হয়, তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

শেখ আব্দুল্লাহ ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতাও প্রদান করেছেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট মুজিব বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন শেখ আব্দুল্লাহ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।