অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে প্রতিবাদ

মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক একজন ত্যাগীনেতা এবং একজন সমাজসেবক।হটাৎ করেই তার উপরে একটি মিথ্যে দোষারোপ করে একটি খবর রটেছে।এই বিষয়ে তিনি বলেন গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রকৌশলের টেন্ডার সংশ্লিষ্ট যে খবর ছাপা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি দীর্ঘ দিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠান শফিক এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশলে অত্যন্ত সুনামের সহিত ব্যবসা করে আসছি। প্রতিটি কাজ আমি সরকারি ক্রয় ইজিপির মাধ্যমে বিট করে সর্ব নিন্ম দরদাতা হয়েই নিয়েছি, এবং কাজের ক্ষেত্রে আমি গুনগত মানের কোনো হেরফের করিনাই। আমার প্রতিটি কাজই সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের তত্যবধায়নে সম্পুর্ন হয়েছে এবং সমাপ্ত কাজ সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়াররা যাচাই বাছাই করে বুঝে দিয়েছন। শিক্ষা প্রকৌশলের সরকারি ক্রয় ও উন্নয়নের কাজ বিভিন্ন জোনাল অফিস থেকে ইজিপির মাধ্যমে সম্পন্ন করায় এখানে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের কোন সুজোগ নেই অতএব আমার বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজীর যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

আমি দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষা প্রকৌশলের ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান। সাধারণ ঠিকাদারদের অধিকার আদায়ে আমি সব সময়ই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। শিক্ষা প্রকৌশলের ঘুষ দুর্নিতী ও কমিশন বানিজ্য বন্ধের জন্য সাধারণ ঠিকাদারদের পক্ষে আমি সমিতির সভাপতি সহ গত ১০ এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখে সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করি যে কারণে শিক্ষা প্রকৌশলের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আমার উপর রাগান্বিত হয়ে বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ঢাকার দক্ষিণ খানে আমার যে বাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা ডোবার মধ্যে অনেক কম মূল্যের জমিতে আমি ব্যাংক লোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছি যা এখনো ব্যাংককে পরিশোধ করতে পারিনি। রাজধানীর হাতিরপুলে মোতালেব প্লাজায় দুটি ছোট দোকান ভিন্ন আমার ঢাকা শহরে কোথাও কোনো বাড়ি, দোকান বা ফ্ল্যাট নাই। দোকান দুটোও ব্যাংকের কাছে বন্ধকি হিসেবে রয়েছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। ৯০ এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করায় আমাকে ১৯৯১ সালে মহসিন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এসময় আমি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করি।
১/১১ এ জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে আমি জননেত্রীর মুক্তির দাবিতে সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি।

৫ই মে ২০১৩ সালে হিফাজত বিরোধী আন্দোলনে আমি আমার কর্মীদেরকে নিয়ে রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করি। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকাস্থ বাগেরহাট জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি সব সময়ই জনকল্যাণ মূলক কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। রাজনৈতিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য একটি কুচক্রী মহল আমাকে নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। আমার কোনো ব্যাংক একাউন্টে উল্লেখ করার মতো কোনো টাকা নেই। আমি ব্যাংক লোন নিয়ে আমার ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি যার সত্যতার প্রমান ব্যাংকই দিয়ে দিবেন। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার দুর্নিতীর বিরুদ্ধে অভিযান কে সাধুবাদ জানাই এবং আমার প্রতি প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।

মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।

(Aronno Shoeb)